বিজেপি সংসদীয় প্রতিনিধিদলের ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িক রাজনীতি
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ প্রেরিত ৩ সদস্যের এক প্রতিনিধিদল এস এস আলুওয়ালিয়ার নেতৃত্বে আজ উত্তর ২৪ পরগণা জেলার ভাটপাড়া কাঁকিনাড়া ” পরিস্থিতির সরেজমিনে ” তদন্ত ও অনুসন্ধানে এসেছিল।তাদের ” তদন্ত অনুসন্ধান” কাজে সহায়তা করার জন্য সর্বক্ষণ উপস্থিত ছিলেন এলাকার সাংসদ শ্রীযুক্ত অর্জুন সিং মহাশয়। ইতিমধ্যে সকলের জানা আছে যে এ অঞ্চলে গোষ্ঠী সংঘর্ষ ও বিভাজন- হিংসার বলি অন্তত ৪ জন। এলাকার মানুষের অভিমত ১১ দিন আগে ” বোমার আঘাতে মৃত্যু হয়েছিল, মহম্মদ হালিম ও মহম্মদ মোক্তার এর”।কে বা কারা বোমা ছুড়েছিল,তার এখনও স্পষ্ট নয়, তবে অনুমান করা যায়।গত বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়েছে দুই হতদরিদ্র নিরীহ মানুষের — রামবাবু সাউ ও ধর্মবীর সাউয়ের। এলাকার মানুষের অভিমত ” পুলিশের গুলিতেই” রামবাবু ও ধর্মবীরের মৃত্যু হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের কর্মরত এক বিচারপতির নেতৃত্বে এর তদন্ত করার দাবি ইতিমধ্যে গত বৃহস্পতিবার আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি সনদে পেশ করেছি এবং ক্ষতিপূরণের দাবিও তুলেছি। প্রতিটি মৃত্যুই দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক। যে ধর্মের মানুষ ই তারা হোন না কেন।
অথচ বিজেপির সংসদীয় দলের ” গণতান্ত্রিক” প্রতিনিধি রা নিহত মহম্মদ মোক্তার ও মহম্মদ হালিমের বাড়ীতে যাবার কোন প্রয়োজন অনুভব করেন নি, তাদের পরিবার পরিজন কি অবস্থায় আছেন তা জানার ইচ্ছে ও ঐ প্রতিনিধিদলের ছিল না। এটাও হতে পারে এ প্রতিনিধি দলের পথপ্রদর্শক ওদের মৃত্যুর কারণ কি তা আগে থেকেই জানেন।
মৃত মানুষের ধর্ম বাছবিচারের যে ঘৃণ্য রাজনীতি বিজেপি সংসদীয় দলের প্রতিনিধিরা দেখালেন ,তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও আপত্তিজনক। এলাকায় নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টিতে তা প্ররোচণা দেবে। এখানেই ওরা থেমে থাকেনি,” পুলিশ কেন একপক্ষকে ” গুলি” এবং অন্যপক্ষকে ” শুধু লাঠি চালাচ্ছে” ,এই উত্তেজক ও প্ররোচনামূলক বক্তব্য ও রাখলেন।এ থেকে প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হল —পার্থ ঘোষ সিপিআই (এম এল) লিবারেশন।
ভাটপাড়া ও কাঁকিনাড়ায় এলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল…

Comment here